, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করা হবে: আইজিপি

প্রয়োজন হলে এবং সরকার অনুমতি দিলে পুলিশ ক্রসফায়ার করবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশের ইসলামিক ব্যাংকিং সেবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, যেখানে ক্রসফায়ার প্রয়োজন হবে এবং সরকার অনুমতি দেবে, সেখানে পুলিশ তা করবে।

তিনি বলেন, কে আসবে, আপা কবে আসবে, কী হবে—সেটা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দেখার বিষয় নয়। আইন ও সংবিধান অনুযায়ী, যখন যেখানে যা প্রয়োগ করা দরকার, পুলিশ তা-ই করবে।

পুলিশপ্রধান বলেন, পুলিশ লাঠিপেটা করলে বলা হয়, তারা ফ্যাসিস্ট পুলিশ। আবার নীরব থাকলে বলা হয়, দুর্বল পুলিশ। কাজ করার জন্য পুলিশকে উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে এবং ক্ষমতায়ন করতে হবে।

সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে হলে পুলিশের বিকল্প নেই উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত পুলিশের প্রয়োজন। বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে আইন ও সংবিধান অনুযায়ী তাঁকে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পুলিশের বিরুদ্ধে গুজব বা মিথ্যা অভিযোগে বিশ্বাস না করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান আইজিপি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৫ জনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ১০১ নাগরিকের দেওয়া বিবৃতি প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, স্বাধীনতা থাকা মানে যা খুশি তা করার সুযোগ নয়। আইনের সীমার মধ্যে থেকে দেশের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ অনুযায়ী সমাজে আচরণ করতে হবে।

জনপ্রিয়

সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করা হবে: আইজিপি

প্রকাশের সময় : ১০ ঘন্টা আগে

প্রয়োজন হলে এবং সরকার অনুমতি দিলে পুলিশ ক্রসফায়ার করবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশের ইসলামিক ব্যাংকিং সেবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, যেখানে ক্রসফায়ার প্রয়োজন হবে এবং সরকার অনুমতি দেবে, সেখানে পুলিশ তা করবে।

তিনি বলেন, কে আসবে, আপা কবে আসবে, কী হবে—সেটা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দেখার বিষয় নয়। আইন ও সংবিধান অনুযায়ী, যখন যেখানে যা প্রয়োগ করা দরকার, পুলিশ তা-ই করবে।

পুলিশপ্রধান বলেন, পুলিশ লাঠিপেটা করলে বলা হয়, তারা ফ্যাসিস্ট পুলিশ। আবার নীরব থাকলে বলা হয়, দুর্বল পুলিশ। কাজ করার জন্য পুলিশকে উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে এবং ক্ষমতায়ন করতে হবে।

সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে হলে পুলিশের বিকল্প নেই উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত পুলিশের প্রয়োজন। বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে আইন ও সংবিধান অনুযায়ী তাঁকে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পুলিশের বিরুদ্ধে গুজব বা মিথ্যা অভিযোগে বিশ্বাস না করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান আইজিপি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৫ জনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ১০১ নাগরিকের দেওয়া বিবৃতি প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, স্বাধীনতা থাকা মানে যা খুশি তা করার সুযোগ নয়। আইনের সীমার মধ্যে থেকে দেশের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ অনুযায়ী সমাজে আচরণ করতে হবে।